উইকেট ভালো ছিল। আমরা ব্যাটাররাই ফেল করেছি। ব্যাটারদের আরো দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে : মিরাজ

বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে ব্যাট হাতে শুরুটা ভালো করতে পারেনি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-এর ব্যাটসম্যানরা। বরিশালের কাছে আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১২৫ রান তুলতে পেরেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। যদিও মিরপুরের উইকেট কিছুটা লো স্কোরিং হয়ে থাকে তবুও আজকের ম্যাচের উইকেট তেমন মনে হয়নি।





বরং মনে হচ্ছিল এই উইকেটে ২০০ রানের কাছাকাছি স্কোর করা সম্ভব প্রতিটি দলের। আর সেটাই মানছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-এর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, “উইকেট ভালো ছিল। একটু স্পিন করলেও ভালো ছিল। তবে ও রকম খারাপ ছিল না”।

“আমরা ব্যাটাররাই ফেল করেছি। ব্যাটাররা যদি আরেকটু দায়িত্ব নিয়ে খেলত, তাহলে ভালো হতো। এই উইকেটে দায়িত্ব নিয়ে খেললেই ভালো করা যায়। আমাদের দল কিন্তু ভালো একটা দল। ভালো সব ক্রিকেটার এখানে খেলছে। সামনে অনেক ম্যাচ আছে। আমি এখনো বিশ্বাস করি, সবাই ভালো করবে।”

ম্যাচ হেরে গেলেও বল হাতে আজ ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৬ রানে তাঁর শিকার ৪ উইকেট। ১৫তম ওভারে একটি রান আউটসহ ৩ উইকেটের পতন ঘটিয়ে তিনি ম্যাচ প্রায় ঘুরিয়েই দিয়েছিলেন। দলের হারে নিজের এই অর্জন নিয়ে সন্তুষ্ট নন মিরাজ,

“নিজে যতই ভালো খেলি না কেন, টিম খারাপ খেললে সেটার আর দাম থাকে না। নিজেরও ভালো লাগে না। দল যদি জিতত তাহলে ভালো লাগত। যেহেতু প্রথম ম্যাচ, তাই ফিরে আসার সুযোগ আছে। আমরা নিজেদের ঘাটতিগুলো নিয়ে আলোচনা করব। এই ম্যাচের ভুলগুলো থেকে যদি শিখতে পারি, তাহলে পরব্তী ম্যাচগুলোতে ভালো করতে পারব।”

দলের হারের দায় ব্যাটারদের দিয়ে মিরাজ বলেন, “প্রথম ম্যাচ ছিল। তার ওপর আমাদের ব্যাটাররা রান করতে পারেনি। এই উইকেটে এত কম রান করে জেতা খুব কঠিন। ১২৫ রান করে টি-টোয়েন্টিতে কঠিন হয়ে যায়। তার পরও বলব, বেনি হওয়েল ভালো ব্যাট করেছে। হয়তো ও ওই কয়টা রান করেছে বলে ফাইট দিতে পারছি। না হলে ফাইটই হতো না”।





“টি-টোয়েন্টিতে আসলে রান করতে হবে। বেশি রান করতে পারলে বোলারদের কাজ সহজ হয়ে যায়। ১৫০-৬০ রান করলে ভালো হয়। আমরা ২০-২৫টা রান কম করেছি। দেড় শ প্লাস রান করলে আমাদের জন্য সহজ হতো। প্রথম দিকে দ্রুত উইকেট পড়ায় রানটা কাভার হয়নি।”