আমি মুশফিকের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি। সে বাংলাদেশের সবচেয়ে স্মার্ট ও কঠিন ক্রিকেট মস্তিষ্কের খেলোয়াড় : ল্যান্স ক্লুজনার

২০১৯ সালে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন হয় রাজশাহী কিংস। ওই দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব হিসেবে পালন করেছিলেন ল্যান্স ক্লুজনার। তিন বছর পর আবারও মাঠে ফিরেছে বিপিএল। তবে এবার আর বিপিএলে নেই সে রাজশাহীর কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি। তবে আবারো বিপিএলে প্রধান কোচের ভূমিকায় এসেছেন ল্যান্স ক্লুজনার।





রাজশাহী কিংসের না থাকায় এবারের আসরে তিনি প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন খুলনা টাইগার্সের। আজ বিপিএলকে সামনে রেখে মিরপুরে অনুশীলন করেছে তার দল। শিরোপা জিততেই এসেছেন বললেন এবং দলের তারকা ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে তিনি।

আজ অনুশীলন শেষে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ফিরে আসাটা বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। সম্ভবত চার কিংবা পাঁচ বছর আমি বাংলাদেশে ছিলাম না, শেষবার বিপিএলে ছিলাম রাজশাহীর হয়ে। সবসময় আমার হৃদয়ের বিশেষ জায়গায় আছে বাংলাদেশ।”

খুলনা টাইগার্সের রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অভিজ্ঞ তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম এবং সরকার। তবে অন্য দলগুলোর তুলনায় বড় কোনো বিদেশি ক্রিকেটার নিতে পারেনি খুলনা টাইগার্স। তবে এই দল নিয়েই বিপিএলে জয়ের জন্য লড়ে যাবে তার দল।

“প্রতিযোগিতায় জেতার জন্য আমরা এখানে। ছেলেদের সঙ্গে এটাই আমি বলছিলাম। প্রতিযোগিতায় জেতা ছাড়া আর কোনো কারণ নেই এখানে আসার। আমি জানি অনেক ভালো দল আছে, কিন্তু দিন শেষে আমরা তিন সপ্তাহ ধরে লড়ব শিরোপার জন্য। সেটা হতে পারে আমাদের জন্য বিশাল অর্জন।”

লক্ষ্য অর্জনে স্থানীয় খেলোয়াড়দের দিকেই তাকিয়ে তিনি, “আমি বিশ্বাস করি না যে বাংলাদেশে বিপিএল বিদেশি খেলোয়াড় নির্ভর। আমি মনে করি বিপিএল স্থানীয় খেলোয়াড়দের। আমাদের লক্ষ্য সেরা স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে চেষ্টা করে যাওয়া,

ইতিহাস বলে যে গত চার-পাঁচ বছর বিপিএলের স্থানীয় খেলোয়াড়রাই টুর্নামেন্টকে এগিয়ে নিয়েছে। আগে স্থানীয় খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেরাটা পেতে চাই এবং পরে বিদেশি খেলোয়াড়রা তাদের সহায়তা করবে।’

মুশফিকের দিকে বিশেষ নজর ক্লুজনারের, “আমি মুশফিকের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে। আগে কখনো এই সুযোগ পাইনি। তবে সম্ভবত সে বাংলাদেশের সবচেয়ে স্মার্ট ও কঠিন ক্রিকেট মস্তিষ্কের খেলোয়াড়। তার মতো একজনের সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার সৌভাগ্যের। আমি এই সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে এবং আমি তাকে সমর্থন দিয়ে নিশ্চিত করতে চাই যে আগামী তিন সপ্তাহ শিরোপার জন্য লড়ব আমরা”।





“আমি তার মস্তিষ্কের ব্যবহার পেতে চাই, কারণ আমার কাছে বাংলাদেশই সম্ভবত ক্রিকেট খেলার জন্য সবচেয়ে কঠিন জায়গা। এখানে বিদেশি দেশগুলো আসার পর আমরা সেটা দেখেছি। তাই স্থানীয় খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেরাটা বের করাতেই আমার মনোযোগ।”