ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পূর্ণ ১০ পয়েন্ট নিয়ে সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরে মাঠের অবশেষে শেষ ওয়ানডে ম্যাচে জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ। বোলারদের নৈপুণ্যে এই ম্যাচে ৫০ রানে জয়লাভ করেছে টাইগাররা। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯৬ রানে অলআউট হয়েছে ইংল্যান্ড।





৫০ রানে জিতে ওয়ানডে সুপার লিগের টেবিলে জমা করেছে গুরুত্বপূর্ণ ১০ পয়েন্ট। তিন ম্যাচ হাতে রেখে ১৩০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে চারে উঠেছে টাইগাররা। ১৫৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড। ‌এরপরে নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ১৫০ এবং ভারতের ১৩৯।

ভালো রানের আশায় সোমবার টস জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু ১৭ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দল।

মিরপুরে ব্যর্থ হওয়া লিটন দাস চট্টগ্রামেও ছিলেন একই বৃত্তে। রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। অধিনায়ক তামিম ফিরে যান ১১ রান করে। ওই বিপর্যয় সামাল দেন টপ অর্ডারের নাজমুল শান্ত এবং মিডল অর্ডারের মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান।

পাঁচে ব্যাট করতে নামা বাঁ-হাতি সাকিব দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন। তার ৭১ বলের ইনিংস সাজানো ছিল সাতটি চারের শটে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭০ রান আসে মুশির ব্যাট থেকে। তিনি ৯৩ বল খেলে ছয় চারে ওই রান করেন। তিনে নামা নাজমুল শান্ত দ্বিতীয় ওয়ানডে ফিফটি করে ৫৩ রানে ফেরেন। বাংলাদেশ সাত বল থাকতে অলআউট হয়।

জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ড দাপুটে শুরু করে। দুই ওপেনার জেসন রয় এবং ফিল সল্ট ৯ ওভারে ৫৪ রান যোগ করেন। সল্ট ২৫ বলে ৩৫ রান করে আউট হন। এক রানের মধ্যে আরও দুই উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ডেভিড মালান শূন্য ও জেসন রয় আউট হন ১৯ রান করে।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৪৯ রান যোগ করেন জেমস ভিন্সি ও স্যাম কারেন। এরপর আরও তিন উইকেটের ধাক্কা খায় ইংলিশরা। স্যাম কারেন ৪৯ বলে ২৩ রান করে আউট হন। ভিন্সি ফিরে যান দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করে। এরপর মঈন আলী আউট হন।

দ্বিতীয় ধাক্কায় ২৬ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় জস বাটলারের দল। ওই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি তারা। অধিনায়ক বাটলার ২৪ বলে ২৬ করে আউট হওয়ার পর ৪৩.১ ওভারে অলআউট হয় প্রথম দুই ম্যাচে দাপুটে জয় পাওয়া ইংল্যান্ড।





যদিও ক্রিস ওকস ৩৪ রান করে দলকে সাহস দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বাংলাদেশের হয়ে এই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন সাকিব আল হাসান। তিনি ১০ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে নিয়েছেন চার উইকেট।





দেশের প্রথম বোলার হিসেবে ওয়ানডে ক্রিকেটে তিনশ’ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন। এছাড়া তাসকিনের জায়গায় একাদশে ঢোকা পেসার এবাদত ৯ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে নিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ দুই উইকেট। বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল দুটি এবং মুস্তাফিজুর ও মিরাজ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।