শেষের দিকে ম্যাথু ওয়েডের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভারতের দেওয়া ২০৯ রানের টার্গেটও জিতে গেল অস্ট্রেলিয়া

২০৯ রানের টার্গেটে দিয়েও পারলো না ভারত। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৪ উইকেটে হেরেছে ভারত।টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারের ৬ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান সংগ্রহ করে ভারত।





জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন ক্যামেরুন গ্রীন। তবে মাঝের দিকে ম্যাক্সওয়েল, স্টিভ স্মিথ দ্রুতই আউট হলে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।

শেষের দিকে ম্যাথু ওয়েডের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৪ বল হাতে রেখে জয়লাভ করে অস্ট্রেলিয়া। ২১ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন মেথু ওয়েড।

অস্ট্রেলিয়াকে রান তাড়ার ভিত গড়ে দেন ওপেনার ক্যামেরুন গ্রিন। ৩০ বলে ৮ চার আর ৪ ছক্কায় ৬১ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেন তিনি। ম্যাচে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ২০৩.৩৩!





পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৬০ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। ১০ ওভার শেষে ১ উইকেটেই রান ছিল ১০৯। এরপর বড় একটি ধাক্কা দেয় ভারত। ৩৬ রানের মধ্যে আরও ৪ উইকেট হারিয়ে বসে অসিরা।

তবে তাতে কোনো লাভ হয়নি স্বাগতিকদের। ম্যাথু ওয়েড ব্যাটিংয়ে নেমেই আগ্রাসী হয়ে ওঠেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আজ অভিষেক হওয়া সিঙ্গাপুরের ব্যাটার টিম ডেভিডকে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৩০ বলে ৬২ রান যোগ করেন ওয়েড।

শেষ ওভারে দল যখন জয় থেকে মাত্র ২ রান দূরে, তখন ১৪ বলে ১৮ রান করে আউট হন ডেভিড। তবে পরের বলেই চাহালকে বাউন্ডারি মেরে জয় নিশ্চিত করে ফেলেন প্যাট কামিন্স। ওয়েড ২১ বলে ৬ চার আর ২ ছক্কায় ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে লোকেশ রাহুল আর হার্দিক পান্ডিয়ার হাফ সেঞ্চুরির সঙ্গে সূর্যকুমারের ৪৬ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ২০৮ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল রোহিত শর্মার দল।





টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান অসি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। শুরুটা ভালোই ছিল অস্ট্রেলিয়ার। ৩৫ রানের মধ্যে তারা তুলে নিয়েছিল রোহিত শর্মা (১১ রান) আর বিরাট কোহলির (২ রান) উইকেট।

কিন্তু সূর্যকুমার যাদব আর লোকেশ রাহুল তৃতীয় উইকেটে ৪২ বলে ৬৮ রানের জুটি গড়ে তোলেন। রাহুল ৩৫ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৫৫ রান করে হ্যাজেলউডের শিকার হন।

ঝোড়ো ব্যাট করা সূর্য ফেরেন ফিফটির ঠিক আগে (২৫ বলে ২ চার আর ৪ ছক্কায় ৪৬)। তবে এরপর অজি বোলারদের ওপর রীতিমত তাণ্ডব চালিয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া।





ভারতীয় এ অলরাউন্ডার চার-ছক্কার বন্যা বইয়ে দেন। ৩০ বলেই তিনি খেলেন ৭১ রানের হার না মানা এক ইনিংস, যে ইনিংসে ৭টি চারের সঙ্গে ছিল ৫টি ছক্কা। অস্ট্রেলিয়ার নাথান এলিস ৩০ রানে ৩টি আর জশ হ্যাজেলউড ৩৯ রানে নেন ২টি উইকেট।