এশিয়া একাদশের হয়ে একই সাথে খেলবেন সাকিব আল হাসান, বাবর আজম এবং বিরাট কোহলি

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে ভারত বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্টগুলো ছাড়া এই ২ দলকে একসাথে দেখা যায় না খেলতে। এমনকি ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এখনো দুই দলের ক্রিকেটারদের একসাথে আর দেখা যায় না।





ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ছাড়া আর কোন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের দেখা যায়না ভারতীয় ক্রিকেটারদের। অন্যদিকে আইপিএলে নিষিদ্ধ রয়েছে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। সবশেষ ১০ বছর আগে ২০১২ সালে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছিল দুই দল।

এরপর শুধু বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপ এলে দেখা মেলে ভারত-পাকিস্তান হাইভোল্টেজ ম্যাচের। তবে এবার একই দলে দেখা যেতে পারে ভারত এবং পাকিস্তানের একাধিক তারকা ক্রিকেটারদের। প্রথমবারের মত একসাথে দলে দেখা যেতে পারে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, বাবর আজম এবং বিরাট কোহলিকে।

গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, প্রায় ১৬ বছর পর আবারও আয়োজন করা হবে আফ্রো-এশিয়া কাপ। যেখানে আফ্রিকা দলে খেলেন আফ্রিকা মহাদেশের ক্রিকেটার ও এশিয়া দলের হয়ে মাঠে নামেন এশিয়ান দলগুলোর খেলোয়াড়রা। ২০২৩ সালে হতে পারে এই আফ্রো-এশিয়া কাপ।

এমনটাই জানিয়েছেন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বিপণন ও অনুষ্ঠান প্রধান প্রভাকরণ থানরাজ। আমেরিকান বাণিজ্যিক বিষয়ক ম্যাগাজিন ফোর্বসে এ কথা জানিয়েছেন থানরাজ।

থানরাজ বলেছেন, “আমরা ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ডে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আমাদের পরিকল্পনা হলো ভারত-পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়দের এশিয়া একাদশে রাখা। এটি চূড়ান্ত হলেই আমরা স্পন্সরশিপ ও ব্রডকাস্টিং নিয়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করবো। এটি অনেক বড় আয়োজন হবে।”

একই আশা আফ্রিকান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান সুমোদ দামোদারের, “খেলোয়াড়দের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরি করে তাদের একই দলে খেলানোর সুযোগের অপেক্ষায় আছি। আমি নিশ্চিত রাজনীতি দূরে সরিয়ে খেলোয়াড়রাও এটি চায়। ভারত ও পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের একই দলে খেলতে দেখা দারুণ বিষয় হবে।”





২০০৭ সালে সবশেষ হয়েছিল আফ্রো-এশিয়া কাপ। যেখানে এশিয়ার হয়ে খেলেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মোহাম্মদ ইউসুফ, সনাত জয়াসুরিয়ার মতো তারকারা।