সাকিব করলে দোষ! আর পান্ত করলে কি? এখন কী বলবেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার

গতকাল আইপিএলে শেষ ওভারে যেটি হয়েছে সেটি হয়তো ক্রিকেটে বিশ্বের খুবই কম সময়ে দেখা যায়। যেমনটি দেখা গিয়েছিল নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশের মধ্যকার ম্যাচে। নো বল না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সেদিন আম্পায়ারের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।





এক সময়ে মাঠে থাকা দুই ব্যাটসম্যানকে বেরিয়ে আসতে ইঙ্গিত দেন সাকিব। যা দিয়ে সে সময়ে বেশ আলোচনা এবং সমালোচনা হয়েছিল। যে সমালোচনার ছড়িয়ে গিয়েছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও। এমনকি সাকিবকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিল অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক।

যার মধ্যে ছিলেন ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান এবং বর্তমান জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার সুনীল গাভাস্কার। কিন্তু গতকাল আইপিএল-এর মাঠে রিশাব পান্ত যেটি করেছে সেটি দেখে এখন তিনি কি বলবেন?

গতকাল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ২২২ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় রাজস্থান রয়েলস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সমানতালে রান করছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানরা। খেলা শেষ পর্যায়ে শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রয়োজন ছিল ৩৬ রান।

কিন্তু ১৯তম ওভারে কোনো রান না দিয়ে ১টি উইকেট তুলে নিলেন রাজস্থানের পেসার প্রসিধ কৃষ্ণা। ১ ওভারে ৩৬ রান প্রয়োজন, এমন অবস্থায় দিল্লির জয়ের আশা করার লোকের সংখ্যা খুব বেশি ছিল বলে মনে হয় না।

কিন্তু শেষ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার ওবেদ ম্যাককয়ের প্রথম ৩ বলে ৩টি ছক্কা মেরে মৃতপ্রায় আশাটাকে জাগিয়ে তোলেন আরেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান, দিল্লির ব্যাটসম্যান রোভম্যান পাওয়েল।

ওই তৃতীয় বলই আবার জন্ম দেয় আরও বাড় নাটকের। বলটি ছিল ফুল টস। দেখে মনে হচ্ছিল, স্টাম্পের উচ্চতার চেয়ে ওপরে ছিল বলটি। পাওয়েলের সঙ্গে সেই সময় উইকেটে থাকা ভারতীয় খেলোয়াড় কুলদীপ যাদব আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেন।

কিন্তু লাভ হয়নি। ওদিকে দিল্লির ডাগআউট থেকে অধিনায়ক ঋষভ পন্তসহ সবাই আম্পায়ারকে ইঙ্গিতে বোঝাচ্ছিলেন, তৃতীয় আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দেওয়া হোক।

আম্পায়ার তাঁদের কথা শুনছিলেন না। এমন সময় হঠাৎ দুই ব্যাটসম্যানকে মাঠ ছাড়ার ইশারা দেন পন্ত। তাঁরা চলেও যেতে বসেছিলেন। কিন্তু আম্পায়ার কিছু একটা বোঝানোর পর চলে না গিয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন পাওয়েল।





সে সময় পন্ত হতাশা প্রকাশ করে কোচিং স্টাফের একজনকে মাঠে পাঠান। তিনি এসে আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। আম্পায়ার তাঁর সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। দিল্লিও ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তুলতে পেরেছে ২০৭ রান। ম্যাচ হেরেছে তারা ১৫ রানে।