দুইটি টেস্ট এবং তিনটি ওয়ানডে খেলতে সাত বছর পর এবছর বাংলাদেশ সফরে আসবে ভারত

নতুন বছরের প্রথম দিনেই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে প্রথম দিন পার করেছে বাংলাদেশ। তবে এ বছর বাংলাদেশের সামনে রয়েছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে এ বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারত।





দীর্ঘ ৭ বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে দুটি টেস্ট এবং তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে আসবে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ফিরেই বাংলাদেশ আতিথিয়তা দেবে ভারতকে।

আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে কমপক্ষে সাতটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং দুইটি বড় টুনামেন্ট অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। দ্বিপাক্ষিক সিরিজের মধ্যে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা সহ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ রয়েছে বাংলাদেশের। অন্যদিকে আগামী বছর রয়েছে আরো একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

আসুন দেখে নেই ২০২২ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং টুর্নামেন্টের সময়সূচী।

বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড (জানুয়ারি) : ২০২২ সালের প্রথম দিন থেকেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ডের অবস্থান করছে টাইগাররা। সেখানে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) : দেশে ফিরেই ক্রিকেটার অংশগ্রহণ করবেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। বিপিএল শেষ না হতেই ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে তিনটি ওয়ানডে এবং দুইটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফর আসবে আফগানিস্তান। তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ বিশ্বকাপ সুপার লিগের অংশ।





দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ (মার্চ-এপ্রিল) : আফগানিস্তান সিরিজ শেষ করে বাংলাদেশের সামনে রয়েছে আরও কঠিন পরীক্ষা। এবার বাংলাদেশ দল পাড়ি জমাবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়লাভ করতে পারেনি বাংলাদেশ। তিনটি ওয়ানডে এবং দুইটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে মার্চ এবং এপ্রিলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম বাংলাদেশ (জুন-জুলাই) : দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে কিছুটা সময় পাবে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। এ সময়ে অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। তবে জুন এবং জুলাইয়ে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাবে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে দুটি টেস্ট তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ (জুলাই-আগস্টে) : ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে সরাসরি জিম্বাবুয়েতে পৌঁছাবে বাংলাদেশ। আগামী জুলাই-আগস্টে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে যাবে বাংলাদেশ। এই সফরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি টেস্ট তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

এশিয়া কাপ (সেপ্টেম্বর) : জিম্বাবুয়ে থেকে ফিরে সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ। এবারের এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কায়।

বাংলাদেশ বনাম আয়ারল্যান্ড (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) : এশিয়া কাপের পর প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে প্রথমবারের মতো আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। ওই সিরিজে আয়ারল্যান্ডের সাথে আরও তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (অক্টোবর-নভেম্বর) : আয়ারল্যান্ড সিরিজ শেষ করেই অক্টোবর এবং নভেম্বরে বাংলাদেশকে পাড়ি জমাতে হবে অস্ট্রেলিয়া। সেখানে সরাসরি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ। এবারের মত আগামী আসরে বাছাইপর্ব খেলতে হবে না টাইগারদের।





বাংলাদেশ বনাম ভারত (নভেম্বর) : বছরের শেষটা হবে বাংলাদেশের জন্য সেরা দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ফিরেই বাংলাদেশ আতিথিয়তা দেবে ভারতকে। দুইটি টেস্ট এবং তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে আগামী বছর নভেম্বরে বাংলাদেশে সফরে আসবে ভারত।