তৃতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পাত্তা পায়নি ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড অলআউট হয়েছে ১৮৫ রানে।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে কোন প্রকার তাল খুঁজে পাচ্ছেনা ইংল্যান্ড। প্রথম দুই টেস্ট ম্যাচ হারের পর আজ ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে মেলবোর্নের বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড অলআউট হয়েছে ১৮৫ রানে। আজ (রবিবার) অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে ইংল্যান্ড।





ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রানে খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান হামিদ। যা এই বছর ইংলিশ ব্যাটারদের ৫০তম ‘ডাক’ মারার লজ্জার রেকর্ড গড়ে দেয়। এক পঞ্জিকাবর্ষে কোনও দলের শূন্যের ‘ফিফটি’ করার দ্বিতীয় নজির এটি। আগের রেকর্ডটাও এই ইংল্যান্ডেরই!

সঙ্গীকে হারিয়ে আরেক ওপেনার জ্যাক ক্রলিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। কামিন্সের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরে যান ১২ রানে। তিনে নামা ডেভিড মালান ও অধিনায়ক জো রুট প্রাথমিক চাপ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন। তবে দুর্দান্ত সময় কাটানো কামিন্সের তোপে কাটা পড়েন মালান।

অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ধরা পড়ার আগে বাঁহাতি ব্যাটার করেন ১৪ রান। কামিন্স ঝড়ে ৬১ রান তুলতে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায় ইংল্যান্ড। তবে আশা দেখাচ্ছিলেন রুট। কিন্তু ফিফটি পূরণ করার পর ইংলিশ অধিনায়কও টিকতে পারেননি।

মিচেল স্টার্কের বলে ৫০ রান করে ফিরে যান। বেন স্টোকস ভালো শুরু পেলেও ক্যারেমন গ্রিনের বলে ২৫ রানে থামেন তিনি। ইংল্যান্ড দলে ধাক্কাটা আরও জোরে লাগে জস বাটলার মাত্র ৩ রানে ফিরলে।

এবারের অ্যাশেজে প্রথমবার একাদশে জায়গা পেয়ে জনি বেয়ারস্টো লড়াই করেছেন। কিন্তু তার প্রতিরোধও টিকেনি। স্টার্কের বাউন্সারে খেই হারিয়ে ধরা পড়েন গ্রিনের হাতে। যাওয়ার আগে ৭৫ বলে করেন ৩৫ রান। শেষ দিকে ওলি রবিনসন ২২ ও জ্যাক লিচ ১৩ রান করলেও ২০০ পর্যন্ত যেতে পারেনি সফরকারীরা।





আগুনে বোলিং করেছেন কামিন্স। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ভেঙে দেন ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার। ৩৬ রান খরচায় তার শিকার ৩ উইকেট। শেষ দিকের ঘূর্ণিতে লায়নও ৩৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। স্টার্ক ৫৪ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট।