নাটকের পর নাটক। দিল্লিকে অবিশ্বাস্য ভাবে ম্যাচ হারিয়ে ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। শারজাহতে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে ৫ উইকেটে ১৩৫ রান সংগ্রহ করে দিল্লি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে এক বল হাতে রেখে নাটকীয় ভাবে জয় তুলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স।





টস জিতে প্রথমে দিল্লিকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। শুরুটা ওত খারাপ ছিল না। পৃথ্বি শ বরাবরের মতো চালিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন, ২৪ বলে ৩২ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে।

১২ বলে ১৮ করা পৃথ্বিকে এলবিডব্লিউ করে এই জুটিটি ভাঙেন বরুণ চক্রবর্তী। এরপরই রানের গতি কমে যায় দিল্লির। ২৩ বলে মাত্র ১৮ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন মার্কাস স্টয়নিস।

শিখর ধাওয়ান উইকেটে টিকতে গিয়ে ৩৯ বল খেলে করেন ৩৬। এরপর রিশাভ পান্তও (৬) ফিরে গেলে চাপে পড়ে দিল্লি। বরুণের ঘূর্ণিতে সিমরন হেটমায়ারও ক্যাচ তুলে ফিরছিলেন, কিন্তু নো-বলে জীবন পেয়ে যান ক্যারিবীয় ব্যাটার।

যদিও বেশিদূর যেতে পারেননি হেটমায়ার। ১০ বলে ১৭ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত শ্রেয়াস আয়ারের ২৭ বলে ৩০ রানের হার না মানা ইনিংসে ১৩৫ তুলেছে দিল্লি। ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন বরুন চক্রবর্তী। সমান ওভারে ২৮ রান দিয়ে সাকিব ছিলেন উইকেটশূন্য।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন দুই ওপেনার ব্যাটসম্যান শুভমান গিল এবং ভেঙ্কটেশ আইয়ার। ৪১ বলে চারটি চার এবং তিনটি ছক্কার সাহায্যের ৫৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার।

এরপর নিতেশ রানাকে সাথে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন শুভমান গিল। দলীয় ১২৩ রানের মাথায় ১৩ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নীতিশ রানা। তবে শুভমান গিলের আউটের পর বড় ধরনের চাপে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ইনিংসের ১৭ তম ওভারে দুই রানের বিনিময়ে উইকেট তুলে নেন আবেশ খান।

সেট ব্যাটসম্যান গিলকে ৪৬ রানে আউট করেন তিনি। তখন দলের জয়ের জন্য ২২ বলে প্রয়োজন ১১ রান। ১৮ তম ওভারে এসে ১ রানের বিনিময়ে দীনেশ কার্তিকের উইকেট তুলে নেন কাগিসো রাবাদা। ইনিংসের ১৯ তম ওভারে তিন রানের বিনিময়ে ইয়ন মরগানের উইকেট তুলে নেন এনরিচ নর্টে।





শেষ ওভারে জয়ের জন্য কলকাতার প্রয়োজন ছিল ৭ রান। বোলিংয়ে আসেন আশ্বিন। শেষ ওভারে ২ বল খেলে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সাকিব আল হাসান। চতুর্থ বলে তুলে নেন সুনীল নারায়ন-এর উইকেট। তবে পঞ্চম বলে ছক্কা মেরে ম্যাচ জেতান রাহুল ত্রিপাঠী।