শরিফুল ইসলামের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ২৪০ রান সংগ্রহ করেছে জিম্বাবুয়ে

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান সংগ্রহ করেছে জিম্বাবুয়ে। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। ১ রান করা তিনাশে কামুনহুকামুইকে প্রথম ওভারের শেষ বলে প্যাভেলিয়নের ফেরান তাসকিন আহমেদ।

এরপর দলীয় ৩৩ রানের মাথায় বাংলাদেশকে দ্বিতীয় উইকেট এনে দেন স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩ রান করা তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে বোল্ড আউট করে প্যাভিলিয়নে ফেরান মিরাজ। তবে এরপর বাংলাদেশের জন্য গলার কাঁটা হয়ে ওঠেন রেগিস চাকাভা এবং ব্রেন্ডন টেইলর।

এই দুজনের ৪৭ রানের পার্টনারশিপ ভাঙ্গেন সাকিব আল হাসান। দলীয় ৮০ রানের মাথায় ২৬ রান করারেগিস চাকাভাকে আউট করেন সাকিব। অন্য প্রান্ত থেকে ভালই খেলছিলেন অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে হিট আউট হয়েছেন তিনি। হাফ সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দূরে ৪৬ রান করে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ব্রেন্ডন টেলর। এই উইকেটে যায় শরিফুল ইসলামের ঝুলিতে।

পঞ্চম উইকেটে ম্যাধেভেরেকে নিয়ে বড় জুটিই গড়তে যাচ্ছিলেন ডিওন মেয়ার্স। কিন্তু সাকিবের ঘূর্ণিতে সেটা সম্ভব হয়নি। ব্যক্তিগত ৩৪ রানে সাকিবের বলে মাহমুদউল্লাহ হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দেন মেয়ার্স। তবে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ম্যাধেভেরে।





শেষের দিকে বলেন কারিশমা দেখান শরিফুল ইসলাম। দলীয় ২০৯ রানের মাথায় ৫৬ রান করা ম্যাধেভেরেকে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। এর পরেই বাঁহাতি পেসার শরিফুলের ফুলটস বল উড়াতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন লুক জংওয়ে।

মোসাদ্দেক সহজ ক্যাচ কঠিন করে লুফে নেন। ৪৭তম ওভারের শেষে তার শর্ট বল উড়াতে গিয়ে হাওয়ায় ক্যাচ ভাসান মুজারাবানি। লিটনের গ্লাভসে বল যায় সহজেই। শরিফুল এক ওভারে জিম্বাবুয়ে শিবিরে জোড়া আঘাত করলেন।

একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে টিকে ছিলেন সেকেন্দার রাজা। ৩০ রান করা এই ব্যাটসম্যানকে উইকেটকিপার লিটন দাসের হাতে ক্যাচ আউট করে প্যাভিলিয়নের ফেরান মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

১০ ওভারে ৪৬ রানের বিনিময়ে চারটি উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। এছাড়াও সাকিব-আল-হাসান দুইটি। মেহেদী হাসান মিরাজ তাসকিন এবং সাইফুদ্দিন নেন একটি করে উইকেট।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদি হাসান মিরাজ, শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ।





জিম্বাবুয়ে একাদশ: ওয়েসলে মাধভের, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ব্রেন্ডন টেলর, ডিয়ন মায়ার্স, সিকান্দার রাজা, রেগিস চাকাভা, তিনাশে কামুনহুকামুই, লুক জঙ্গি, টেন্ডাই চাতারা, ব্লেসিং মুজুরাবানি এবং রিচার্ড এনগারাভা।