আফিফ হোসেনের ব্যাটিংয়ে দারুণ প্রশংসা করলেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের ১০ ওভার না পেরোতেই সাজঘরে ফেরেন তামিম ও সাকিব আল হাসান। স্কোরবোর্ডে ৭৬ রান জমা না হতেই নেই ৪ উইকেট।





দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেন লিটন দাস এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। রিয়াদ আউট হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দলের হাল ধরেন আফিফ হোসেন এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। মূলত আফিফ হোসেনের দারুন ব্যাটিংয়ের কারণেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

পাশে পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ও মিরাজদের। তাদের কথাই উঠে এসেছে অধিনায়কের কণ্ঠে। দ্রুত চার উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য একটা লম্বা জুটির প্রয়োজন ছিল।

পঞ্চম উইকেটে লিটন-মাহমুদউল্লাহ ৯৩ রানের জুটি গড়ে সেই দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করেন। এরপর আফিফের সঙ্গে ৪০ রানের জুটির পর লিটন ফেরেন সাজঘরে। ততক্ষণে চালকের আসনে বাংলাদেশ। এরপর আফিফ-মিরাজ ৫৮ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহ পায় টাইগাররা।

তাইতো জাতীয় দলের তরুণ ক্রিকেটারদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। আজ এক ভিডিও বার্তায় তামিম ইকবাল বলেন, “আফিফের ইনিংসটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে ওই ইনিংসটা না খেললে ২৭০ রান করতে পারতাম না”।

“৩০-৪০ রান কম হতো। মিরাজের ২২-২৩ রানের ইনিংসও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রিয়াদ ভাই আউট হওয়ার পর আরেকটি উইকেট পড়ে গেলে বিপদ হতো। আমার কাছে মনে হয় এই ছোট ছোট অবদানের কৃতিত্ব দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। যেটা আমি পছন্দ করি।’





“একটা পর্যায়ে খুব বিপদে ছিলাম। একটা কথা সব সময় বলি, তরুণদের পারফর্ম করতে হবে। এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আমরাও বলেছি। কাল এক্ষেত্রে আদর্শ ম্যাচ ছিল। যেখানে লিটন বেশ দায়িত্ব নিয়ে একটা ইনিংস খেলেছে। আর সবসময় ১০০ বা ৫০ নিয়ে কথা বলা খুব সহজ। কিন্তু আমার কাছে ছোট ছোট অবদান খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ যোগ করেন তামিম ইকবাল।