অঘোষিত ফাইনালে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের বিধ্বংসী বোলিংয়ে হ্যাটট্রিক শিরোপা জিতল আবাহনী লিমিটেড

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে অঘোষিত ফাইনালে আজ প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৮ রানে হারিয়ে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয় লাভ করেছে আবহনী লিমিটেড। ‌টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫০ রান সংগ্রহ করে আবহনী লিমিটেড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান সংগ্রহ করে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।





মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে আবহনী লিমিটেড। ইনিংসের প্রথম বলেই নাঈম শেখের উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজুর রহমান।

এরপর দলীয় ১৫ রানের মাথায় আরেক ওপেনার মুনিম শাহরিয়ারের উইকেট তুলে নেন রুবেল হোসেন। ৫ বলে ৩ রান করেন তিনি। ব্যাট হাতে শুরুটা ভালই করেছিলেন লিটন দাস তবে ইনিংসে বড় করতে পারেননি তিনি। দলীয় ৩১ রানের মাথায় নাহিদুল ইসলামের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।

১৩ বলে দুটি চার এবং একটি ছক্কার সাহায্যে ১৯ রান করেন লিটন। তবে এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় আবহনী লিমিটেড। এই দুইজনের ৭০ রানের পার্টনারশিপ ভাঙ্গেন রুবেল মিয়া। ৪০ বলে তিনটি চার এবং দুটি ছক্কার সাহায্যে ৪৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

দলীয় ১১৯ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট হারায় আবহনী লিমিটেড। শরিফুলের বলে ১২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন আফিফ হোসেন। এরপর রুবেল হোসেনের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ৩৯ বলে একটি চার এবং একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ৪০ রান সংগ্রহ করেন মোসাদ্দেক হোসেন। শেষের দিকে ১৩ বলে দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।

১৫১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। ইনিংসের প্রথম ওভারেই রনি তালুকদারকে ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ১ রান করে মেহেদি হাসান রানা হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন রনি তালুকদার।

দলীয় ২০ রানের মাথায় অধিনায়ক এনামুল হককে আউট করেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ১৩ রান করে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন অনামুল। এরপর ৪ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন রকিবুল হাসান এবং ৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মোহাম্মদ মিঠুন।

তবে ওপেনিং নামে এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলছিলেন রুবেল মিয়া। তাকে থামিয়ে দেন তরুণ ফাস্ট বোলার তানজিদ হাসান তামিম। ৪৩ বলে ৬ টি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৪২ রান করে আউট হন রুবেল মিয়া। রুবেল মিয়ার আউটের পর দ্রুতই প্যাভিলিয়নে ফেরেন মোহাম্মদ নাঈম এবং রুবেল হোসেন।





ইনিংসের ১৭ তম ওভারে জোড়া ওইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। ১৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন নাঈম হাসান এবং শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন রুবেল হোসেন। শেষের দিকে ১৭ বলে ৩৪ রান করেন অপরাজিত অলক কাপালি। চার ওভার বোলিং করে ৩৫ রানের বিনিময়ে চারটি উইকেট লাভ করেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।