প্রাইম ব্যাংকে হারিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের হ্যাটট্রিক শিরোপা জিততে চান আবহনী লিমিটেডের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের অঘোষিত ফাইনাল আগামীকাল দুপুরে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব এবং আবহনী লিমিটেড। সর্বশেষ ২০১৪-২০১৬ মৌসুমে শিরোপা ঘরে তুলেছিল প্রাইম ব্যাংক। অন্যদিকে এই বার জিতলে টানা তৃতীয়বার শিরোপা ঘরে তুলবে আবহনী লিমিটেড। সেই সাথে হ্যাট্রিক পূরণ হবে আবহনী লিমিটেডের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের।





তাইতো আগামী কালকের ম্যাচে জয়ের ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী খালেদ মাহমুদ সুজন। অঘোষিত ফাইনালে প্রাইম ব্যাংকে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে মানছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। কারণ এই দলে রয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরা ফাস্ট বোলিং লাইন আপ। কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান সহ প্রাইম ব্যাংকে খেলছেন শরিফুল ইসলাম এবং রুবেল হোসেন।

ফাইনালের আগে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, “প্রাইম ব্যাংক বেশ ভালো দল। বোলিং অ্যাটাকটা দারুণ। ব্যাটিংয়ে ক’জন বেশ ভালো পারফরমার আছে। রনি-বিজয় সবাই খুব ভালো ব্যাটসম্যান। সব মিলে বেশ সমীহ করার মত দল। তারপরও আমার মনে হয়, আমরা মানে আবাহনী বেটার সাইড (তুলনামূলক ভালো দল)।’

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে লাইন আপ ও শক্তি-সামর্থ্যেরর পাশাপাশি ছন্দ খুঁজে পাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ, মনে করেন সুজন। আবাহনী কোচের ভাষায়, ‘আসলে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে মোমেন্টামটা খুব জরুরী। যে দল যত তাড়াতাড়ি মোমেন্টাম ধরে ফেলতে পারবে, তাদের জন্য সেটাই সবচেয়ে ভালো”।

“আমরা আসলে বৃহস্পতিবারও মোমেন্টাম ভালো পেয়েছিলাম। লিটন আর আফিফ ভালো ব্যাটিং করেছে। শুরুতে দুই উইকেট নিয়েও আমরা ছন্দ ফিরে পেয়েছিলাম। কিন্তু ধরে রাখতে পারিনি। কালকের ম্যাচে সেটা ধরে রাখতে হবে। আমি এখনও বিশ্বাস করি, আমাদের টিমের সামর্থ্য আছে। আমরা প্রাইম ব্যাংককে হারাতে সক্ষম।’





সুজন যোগ করেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি আমাদের আর কোনো উপায় নেই। জেতা ছাড়া অন্য কোন পথ নেই। অন্য কিছু ভাবার, চিন্তারও কোনো সুযোগ নেই। লিগ জিততে চাইলে কালকের অঘোষিত ফাইনালে জিততেই হবে। যে হারবে সে তৃতীয় হয়ে যেতে পারে। তাই আমরা সামর্থ্যের সবটুকু উজাড় করে দেব ভালো খেলতে, জিততে। ইনশাআল্লাহ।