শীর্ষ পর্যায়ে ১৫ বছর ধরে ক্রিকেট খেলার পরও মুশফিকের রান করার ক্ষুধা কমেনি : ভিভিএস লক্ষ্মণ

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসি প্লেয়ার অফ দ্যা মান্থ নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় দলের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। পাকিস্তানের পেসার হাসান আলী ও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার প্রাভিন জয়াবিক্রেমাকে টপকে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মে মাসের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন মুশফিক।





শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিক ৭৯ গড়ে ২৩৭ ওয়ানডে রানের জন্য এই তালিকায় মনোনীত হয়েছিলেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১২৫ রান করে দেশটির বিপক্ষে প্রথমবার সিরিজ জয়ে রাখেন অনন্য ভূমিকা।

এ ছাড়া হাসান পাকিস্তানি পেসার হাসান আলী ১৪টি টেস্ট উইকেট ও শ্রীলঙ্কান স্পিনার প্রভীন জয়া বিক্রমা ১১টি টেস্ট উইকেট নিয়ে মে মাসের সেরা তালিকার জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু মুশফিকের পারফর‍্যমান্সের কাছে তাদের হার মানতে হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে প্রতি মাসের সেরা ক্রিকেটারকে পুরস্কৃত করার প্রক্রিয়া চালু করে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়লাভ করে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে শ্রীলংকার বিপক্ষে হোম সিরিজে। একটি সেঞ্চুরি এবং একটি হাফ সেঞ্চুরি সহ ২৩৭ রান করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। শুধু ওই সিরিজেই নয় বিগত কয়েক বছর ধরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করছেন মুশফিকুর রহিম।

আর তাই মুশফিকুর রহিমের দারুণ প্রশংসা করেছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষ্মণ। আইসিসির ভোটিং একাডেমির প্রতিনিধি ভিভিএস লক্ষ্মণ বলেছেন, ‘শীর্ষ পর্যায়ে ১৫ বছর ধরে ক্রিকেট খেলার পরও মুশফিকের রান করার ক্ষুধা কমেনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজে সে তার অন্যতম সেরা ফর্মে ছিল”।





“যা তার ধারাবাহিকতা অন্যতম উদাহরণ। তার পারফরম্যান্সের সুবাদেই ১৯৯৬ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। মিডলঅর্ডারে ব্যাটিং ও একসঙ্গে উইকেটকিপিং করাটা তার ফিটনেস ও স্কিলেরই পরিচায়ক।”