আম্পায়ারিং নিয়ে ক্লাবগুলোর কোন অভিযোগ নেই : পাপন

গতকাল আবহনী বনাম মোহামেডানের মধ্যকার ম্যাচ ঘিরে শুরু হয়েছে নানা নাটকীয়তা। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের পঞ্চম ওভারে সাকিব আল হাসান রেগে যান আম্পায়ারদের উপর। এই সময় লাথি মেরে স্ট্যাম্প ভাঙ্গেন তিনি। শুধু তাই নয় এরপর আম্পায়ারদের উপর রাগ করে তিনটি স্টাম ছুড়ে মারেন সাকিব।





যার কারণে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ৫ লাখ টাকা জরিমানা সহ তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার। এদিকে সাকিব আল হাসানের এই কাণ্ডের নড়েচড়ে বসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

বেশ কিছুদিন ধরেই ঘরোয়া ক্রিকেট লিগের আম্পেয়ারদের দায়িত্ব নিয়ে উঠেছে নানা সমালোচনা। গুঞ্জন ওঠেছে ঘরোয়া ক্রিকেট লিগের অনেক ম্যাচেই পাতানো থাকে। যার কারণেই সাকিবের এমন আচরণ। ঘরোয়া ক্রিকেট লীগে এমন অনিয়মের কারণে আন্তর্জাতিক মহল থেকে অনেক চাপের মুখে পড়েছে বিসিবি।

আর যদি অনিয়মের কথা সত্য হয় তাহলে বন্ধ করে দেয়া হতে পারে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের আসর এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। দেশের বেসরকারি টেলিভিশন যমুনা নিউজকে মুঠোফোনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন,

“আমাকে অনেক দেশ থেকে ফোন দিচ্ছে। আমি তো ফোনে ধরতে পারছিনা। এটা বেদজ্যোতির চরম পর্যায়ে চলে গেছে বাংলাদেশ। আমার মনে হয়না ডোমেস্টিক ক্রিকেট খেলার কোন মানে আছে। এটা ওরা চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে”।

এদিকে প্রমাণ দিতে পারলে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এমনটাই জানিয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন। এই সময় তিনি আরো বলেন, “ওরা তো আমাকে কিছুই দেখাতে পারে না। প্রত্যেকটা ম্যাচের ম্যানেজার, ক্যাপ্টেনের সই করা কাগজ দেখাচ্ছে আমাকে। কেউই তো আমাকে অভিযোগ জানায় না। অভিযোগ না পেলে আমি ব্যবস্থা নেব কিভাবে”।

“ফার্স্ট কথা হলো ডোমেস্টিক খেলার দরকার কি। আমার কথা হল এরকম যদি হয়ে থাকে আমিতো ডোমেস্টিকই খেলাবো না ওদেরকে দিয়ে যতক্ষণ না সমস্যার সমাধান হচ্ছে। এইসব খেলার তো কোন মানে নেই”।





“যদি তাই হয় যে সব গুলো শুনি মানুষদের কাছ থেকে মিডিয়া, ফেসবুক এখানে বলতেছে আগে থেকেই সব কিছু সেটিং করা আছে। তাই যদি হয় তাহলে এই খেলার কোন মানে হয়না। এই খেলা বন্ধ করে আগে সমস্যার সমাধান করো”।