ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে হ্যাটট্রিক পরাজয় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শুরুটা ভালো করলেও ছন্দ হারিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। প্রথম তিন ম্যাচে জয়ের পর এবার টানা তিন ম্যাচ পরাজিত হয়েছে সাকিব আল হাসানের দল। এই দিন রূপগঞ্জের বিপক্ষে ৯ উইকেটে হেরেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আগে ব্যাটিং করে মোহামেডান মাত্র ১১৩ রান তুলে। জবাবে রূপগঞ্জ ১১ বল আগে ৯ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।





রূপগঞ্জের বিপক্ষে মোহামেডানের রান ৫০ হতো কি না তা নিয়ে ছিল শঙ্কা। ২৭ রান তুলতে ৬ ব্যাটসম্যান সাজঘরে। আগের ৫ ম্যাচে কোনো উইকেট না পাওয়া সোহাগ গাজী আজ ৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে মোহামেডানের টপ অর্ডারে ধাক্কা দেন।

মিডল অর্ডারে আক্রমণে এসে মাত্র ৬ রানে ২ উইকেট নেন আগের ৫ ম্যাচে একবারও হাত না ঘোরানো নাঈম ইসলাম। পেসার শহীদ নিজের দ্বিতীয় ওভারে জোড়া আঘাত করেন। পরপর দুই বলে তার শিকার সাকিব ও নাদিফ। সাকিব অফস্টাম্পের অনেক বাইরের বল উড়াতে গিয়ে শর্ট থার্ড ম্যান অঞ্চলে ক্যাচ দেন।

বাংলাদেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৪৪ রানের লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন শুভাগত হোম। ডানহাতি ব্যাটসম্যান প্রতি আক্রমণে ৩২ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় ৫২ রান করেন। তাকে সঙ্গ দেন আবু হায়দার। ১৫ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে দুই অঙ্কের ঘর ছুঁয়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন। বল হাতে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সোহাগ গাজী, মোহাম্মদ শহীদ, নাঈম ইসলাম ও কাজী অনিক। লক্ষ্য তাড়ায় রূপগঞ্জের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত।

সাকিবকে প্রথম ওভারে ডাউন দ্য উইকেটে এসে মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা উড়ান প্রথমবার লিগ খেলতে নামা পিনাক ঘোষ। এরপর কোনো বোলারকে থিতু হতে দেননি তিনি। আপারকাটে পেসার ইয়াসিন আরাফাতকে চার মারার পর মাথার উপর দিয়ে সীমানা পার করেন।

তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাটিং করেন আরেক ওপেনার মেহেদী মারুফ। অফ সাইডে দারুণ কয়েকটি শটে রান বাড়ান মেহেদিও। দুজনের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮৯ রান। তাতে জয় সহজেই দেখতে পারে রূপগঞ্জ।





এ জুটি ১৪তম ওভারে ভাঙেন মাহমুদুল হাসান। ডানহাতি স্পিনারের বল মিস করে বোল্ড হন মেহেদী। ৪৬ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৪১ রান করেন তিনি। পিনাক ফিফটি করেই মাঠ ছাড়েন। ৫১ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৫১ রান করেন। সাব্বির রহমান ১৩ বলে করেন ১৪ রান। সাব্বিরকে মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা উড়িয়ে সাব্বির দলের জয় নিশ্চিত করেন।