২০১৫ বিশ্বকাপের পর ঘরের মাঠে ১০ টি ওয়ানডে সিরিজের মধ্যে ৯ টি সিরিজেই জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ।

বর্তমান সময়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে ঘরের মাঠে সবচেয়ে শক্তিশালী দল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে সর্বশেষ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হেরেছিল টাইগাররা। এরপর আর কোন ওয়ানডে সিরিজ হারেরিন বাংলাদেশ। গত পাঁচ বছরে দেশের মাটিতে বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলেছে ২৫টি। এর ১৯টিতেই এসেছে জয়।





বাকি ছয় ম্যাচে দেখতে হয়েছে হার। শতকরা হিসেবে এ সময়ে দেশের মাটিতে বাংলাদেশ জিতেছে ৭৬ ভাগ ম্যাচ। ২০১৫ বিশ্বকাপের পর ঘরের মাঠে দশটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছে টাইগাররা। এর মধ্যে শুধুমাত্র ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

কিন্তু তারপর থেকে এখনো পর্যন্ত ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে অপরাজিত বাংলাদেশ। ২০১৫ বিশ্বকাপের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসে পাকিস্তান। ওই সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩ ম্যাচেই জয় লাভ করে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের পর বাংলাদেশের মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে আসে ভারত। প্রথমবারের মতো ভারতকেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ পরাজিত করে বাংলাদেশ। উড়তে থাকা বাংলাদেশ হারিয়ে দেয় সে সময় আরেক পরাশক্তি দক্ষিণ আফ্রিকাকে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ জয়লাভ করে ২-১ ব্যবধানে।

এরপর জিম্বাবুয়েকে ৩-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হোয়াইটওয়াশ করে মাশরাফিরা। জিম্বাবুয়ের পর ঘরের মাঠে আফগানিস্থানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ওই সিরিজেও ২-১ ব্যবধানে আফগানিস্থানকে পরাজিত করে বাংলাদেশ।

এরপর গত দুই বছরে দুইবার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসে জিম্বাবুয়ে। দুটি সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের মতো গত দুই বছরে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুইটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।





এর মধ্যে প্রথমটি তে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতলেও সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩ ম্যাচেই পরাজিত করেছে তামিম বাহিনী। সর্বশেষ শ্রীলংকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে তামিমরা। সিরিজের শেষ ম্যাচে আগামীকাল শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ।