দিল্লি ক্যাপিটালসকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ আইপিএল ফাইনাল নিশ্চিত করলো রোহিত শর্মার দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। আজ প্রথম কোয়ালিফায়ারে ম্যাচের দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৫৭ রানে পরাজিত করেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। আগে ব্যাট করে হার্দিক পান্ডিয়া এবং ঈশান কিশান এর বিধ্বংসী ব্যাটিং-এ ২০১ রানের টার্গেট দেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে কোনো রান যোগ না করেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন দিল্লি ক্যাপিটালস টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই পৃথ্বী শ এবং আজিমকিয়া রাহানের উইকেট তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। এর পরের ওভারেই আরেক ওপেনার শিখর ধাওয়ানের উইকেট তুলে নেন জাসপ্রিত ভোমরা।

মূলত ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই পর থেকে ম্যাচ হেরে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। এরপর দলীয় ৪০ রানের মধ্যে শ্রেয়াস আইয়ার (১২) এবং রিশাব পান্ত (৩) রানে আউট হলে বড় ধরনের চাপে পড়ে দিল্লি ক্যাপিটালস। মাঝে মার্কাস স্টোইনিস এবং আকসার প্যাটেল ৭১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুললেও।

ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে এসে জোড়া উইকেট তুলে নেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ৬৫ রান করা স্টোইনিস এবং ০ রানে ড্যানিয়েল স্যামসের উইকেট তুলে নেন জাসপ্রিত বুমরাহ। শেষের দিকে আক্সার প্যাটেল ৪২ করলেও হার এড়াতে পারেনি দিল্লি ক্যাপিটালস। ১৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে এবারের আসরে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক জাসপ্রিত বুমরাহ।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামার পর খুব বেশি সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল না মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা দিল্লির বোলার রচিচন্দ্র অশ্বিনের ঘূর্ণি টোপের মধ্যে পড়ে গেলেন। ৪ ওভার বল করে অশ্বিন ২৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।

২৫ বলে ৪০ রান করেছেন কুইন্টন ডি কক। ৫টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কা মেরেছেন তিনি। সবচেয়ে অফ ফর্মে রয়েছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। গোল্ডেন ডাক মেরেছেন তিনি। অশ্বিনকে মোকাবেলা করতে গিয়ে প্রথম বলেই এলবিডব্লিউর শিকার হলেন।

মুম্বাইয়ের আরেক ভরসা কাইরন পোলার্ডও কোনো রান করে আউট হয়ে গেছেন। ১৪ ওভারে মুম্বাইর রান ছিল ১০৮, ৪ উইকেট হারিয়ে। কিন্তু এরপরে ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়েছে হার্দিক পান্ডিয়া এবং ঈশান কিশান। শেষ ৬ ওভারে এই দু’জন মিলে তুলেছেন ৯২ রান! রীতিমত অবিশ্বাস্য।





১০ বলে ১৩ রান করে ক্রুনাল পান্ডিয়া আউট হয়ে যাওয়ার পর মাঠে নেমে টর্নেডো গতিতে রান তুলতে থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। মাত্র ১৪ বল খেলে ৩৭ রানে থাকেন অপরাজিত। কোনো বাউন্ডারি নেই, ছক্কার মার মেরেছেন ৫টি। অন্যদিকে অপর অপরাজিত ব্যাটসম্যান ইশান কিশান ৩০ বল খেলে অপরাজিত থাকেন ৫৫ রানে। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে তিনি ছক্কা মেরেছেন ৩টি। শেষ পর্যন্ত স্কোর গিয়ে দাঁড়াল ২০০ রানে।